Related products
-

রাষ্ট্রীয় বাজেট — ২০২৬-২৭ অর্থবছর জনবান্ধব বাজেট ও ইসলামী অর্থনীতি: সমস্যা, প্রচলিত সমাধানের সীমাবদ্ধতা ও বিকল্প প্রস্তাবনা
৳ 500 Add to cartবাজেট ২০২৬-২৭ ইসলামী অর্থনীতি বিকল্প রোডম্যাপ
বাংলাদেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত কাঠামোগত সংকটের মুখোমুখি — দুর্বল রাজস্ব কাঠামো, সুদী ঋণের ক্রমবর্ধমান বোঝা এবং ব্যাংকিং খাতে ভয়াবহ খেলাপি ঋণ। তিনটি সংখ্যাই এই দুষ্টচক্রের মূল চিত্রটি বলে দেয় — কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৭.৪%, প্রতি ১০০ টাকা রাজস্বে ৫৫ টাকার ঋণ পরিশোধের চাপ এবং মোট ঋণের ৩৯% খেলাপি। প্রতি বছর যে সমাধান আসছে তা পরিচিত — নতুন কর আরোপ, নতুন ঋণ গ্রহণ, বাজেটের আকার বড় করা। কিন্তু এই পথে শিকড়ের চিকিৎসা হয় না। যে রাষ্ট্র বিদ্যমান কর আদায় করতে পারছে না, নতুন Wealth Tax বা Inheritance Tax সেই রাষ্ট্রকে টেকসই রাজস্ব দেবে না। সুদী ঋণের উপর দাঁড়িয়ে সুদী ঋণ কমানো যায় না। আর দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব না সরিয়ে ব্যাংকিং সংস্কার কাগজে-কলমেই থেকে যায়। এই গবেষণা-নোটে আমরা প্রচলিত আলোচনার বাইরে গিয়ে ইসলামী অর্থনীতির আলোকে তিনটি সংকটের বিপরীতে একটি বিকল্প রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছি।
বাকি অংশ পড়তে গবেষণাটি কিনুন।
-

Zakat Calculation Service ( Individual )
৳ 1000 Add to cart -

Zakat Calculation Service ( Business )
Read more
স্পিড মানি (Hush Money) সংক্রান্ত শারিয়াহ গাইডলাইন
بسم الله الرحمن الرحيم
‘ঘুষ’ আমাদের দেশে বহুল প্রচলিত একটি বিষয়। ছোট-বড় বহু কাজে ঘুষের অহরহ লেনদেন হয়। প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ ঘুষ দিয়ে পকেট ভারী করছে। বিনষ্ট হচ্ছে আর্থ-সামাজিক ভারসাম্য।
অপরদিকে যারা শারিয়াহ অনুসরণ করে চলতে আগ্রহী, তারা ভয়ে ঘুষ থেকে বিরত থাকেন। তবে কখনো পরিস্থিতির শিকার হয়ে ঘুষ প্রদানে বাধ্য হন। কখনো ঘুষ মনে করে অনেক কিছু ত্যাগ করে বসেন। যা না করলেও হয়।
বস্তুত ঘুষকে সমাজ থেকে মূলোৎপাটন করতে এ ব্যাপারে সচেতনতার বিকল্প নেই। ঘুষ প্রদানে একান্ত বাধ্য হলে কি করণীয়—তাও জানা থাকা উচিত। এসব বিষয়ে এখানে মৌলিক গাইডলাইন প্রদান করা হলো।
১. পরিচিতি
পাকিস্তানের মুফতি মুহাম্মাদ শফী রহ. ঘুষ এর পরিচিতি দিয়েছেন এভাবে—‘যে কাজের বিনিময় গ্রহণ করা শারিয়াহর দৃষ্টিতে বৈধ নয়, তার বিনিময় গ্রহণ করা। যেমন—যে কাজটা করা ব্যক্তির দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত, যা তার ওপর ফরয—এমন কাজের বিনিময়ে কারো থেকে অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করাই হলো ঘুষ। (তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন, খ. ৩, পৃ. ১৫১)
এছাড়াও শারিয়াহর অন্যান্য দৃষ্টান্ত থেকে আমাদের সামনে ঘুষের তিনটি দিক সামনে আসে।
- ক. দাতা: নিজের অবৈধ কোনো স্বার্থ উদ্ধার, বাতিলকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত করা, সত্যকে বাতিল হিসাবে দাঁড় করানোর জন্য অর্থ ব্যয় করা।
- খ. গ্রহীতা: নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আদায়ে মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আরো অতিরিক্ত অর্থ চেয়ে বসা।
- গ. বিনিময়হীন: যেখানে বিনিময় নেওয়া যায় না, বিপরীতে কোনো সম্পদ নেই। এমন ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা।
পরবর্তী ধারাগুলোতে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হবে ইনশাল্লাহ।
২. ঘুষের মূল বিধান
- ১. নিশ্চিতভাবে তা হারাম। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা ও গ্রহীতা উভয়কেই অভিসম্পাত করেছেন। জামে তিরমিযী, হাদীস ১৩৩৭
- ২. ঘুষে প্রাপ্ত সম্পদে গ্রহণকারীর মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয় না।
- ৩. দাতা ও গ্রহীতা উভয়ে গুনাহগার, ফাসেক ও অভিশপ্ত। (তবে দাতার ক্ষেত্রে কিছু ছাড় আছে যা সামনে বিস্তারিত আলোচনা হবে।)

Reviews
There are no reviews yet.