রাষ্ট্রীয় বাজেট — ২০২৬-২৭ অর্থবছর জনবান্ধব বাজেট ও ইসলামী অর্থনীতি: সমস্যা, প্রচলিত সমাধানের সীমাবদ্ধতা ও বিকল্প প্রস্তাবনা এর প্রচ্ছদ
গবেষণাডকুমেন্ট

রাষ্ট্রীয় বাজেট — ২০২৬-২৭ অর্থবছর জনবান্ধব বাজেট ও ইসলামী অর্থনীতি: সমস্যা, প্রচলিত সমাধানের সীমাবদ্ধতা ও বিকল্প প্রস্তাবনা

বাংলাদেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত কাঠামোগত সংকটের মুখোমুখি — দুর্বল রাজস্ব কাঠামো, সুদী ঋণের ক্রমবর্ধমান বোঝা এবং ব্যাংকিং খাতে ভয়াবহ খেলাপি ঋণ। তিনটি সংখ্যাই এই দুষ্টচক্রের মূল চিত্রটি বলে দেয় — …

৳৫০০
  • ফাইল ফরম্যাট: PDF
  • পেমেন্টের পরপরই ডাউনলোড
  • আইএফএ শরিয়াহ বিশেষজ্ঞ প্যানেল কর্তৃক প্রস্তুত
  • কোনো অংশ বুঝতে সমস্যা হলে আমাদের সহায়তা
এখনই কিনুন
SSLCommerz সুরক্ষিত পেমেন্টবিকাশ, নগদ, কার্ড

সূচিপত্র ও প্রথম অংশ পড়ে দেখুন

ডকুমেন্টটির শুরুর অংশ নিচে দেওয়া হলো।

বিস্তারিত

বাংলাদেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত কাঠামোগত সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে দুর্বল রাজস্ব কাঠামো, সুদী ঋণের ক্রমবর্ধমান বোঝা এবং ব্যাংকিং খাতে ভয়াবহ খেলাপি ঋণ। মূলত এই তিনটি সংকটই দেশের অর্থনীতিকে প্রতিনিয়ত দুর্বল করে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে আসন্ন বাজেট ২০২৬-২৭ ইসলামী অর্থনীতি এর আলোকে নতুন পরিকল্পনা সাজানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৭.৪% এবং প্রতি ১০০ টাকা রাজস্বে ৫৫ টাকা চলে যায় ঋণ পরিশোধে। প্রতি বছর যে সমাধান আসছে তা খুবই সাময়িক। যেমন— নতুন কর আরোপ বা নতুন ঋণ গ্রহণ। কিন্তু এই পথে মূল সমস্যার সমাধান হয় না। তাই এই গবেষণা-নোটে আমরা প্রচলিত আলোচনার বাইরে গিয়ে তিনটি সংকটের বিপরীতে একটি বিকল্প রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছি।

## বাজেট ২০২৬-২৭ ইসলামী অর্থনীতি ও রাজস্ব সংকট

রাজস্ব সংকটে কর বাড়ানো সমাধান নয়। আমাদের প্রাক্কলনে শুধু যাকাত-উশর থেকেই বার্ষিক ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ সম্ভব, যা আসন্ন বাজেটের ১৪.২৩%। তবে এই সংখ্যা বাস্তবে রূপান্তর করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি ওয়াকফ সম্পদ সক্রিয় করলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। এছাড়া মৃত্যুর এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তরাধিকার সম্পদের ডিজিটাল বণ্টন কার্যকর হলে বার্ষিক ৯০ হাজার থেকে ১.৫ লাখ কোটি টাকার সম্পদ সক্রিয় অর্থনীতিতে প্রবেশ করবে।

## সুদী ঋণ ও খেলাপি ঋণ সংকটের সমাধান

সুদী ঋণ সংকটে আরও ঋণ নেওয়া বন্ধ করতে হবে। এর বিপরীতে এ্যাসেট বেকড সুকুক ইস্যু বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। AAOIFI মানদণ্ড ৬২ নং অনুযায়ী প্রকৃত সম্পদভিত্তিক সুকুক চালু করলে সুদী ঋণের দুষ্টচক্র থেকে বের হওয়া সম্ভব।

অন্যদিকে, খেলাপি ঋণ সংকটে শুধু ব্যাংক একীভূতকরণ নয়, বরং কর্পোরেট ও শরিয়াহ গভর্ন্যান্সের দ্বিস্তরীয় সংস্কার জরুরি। ইচ্ছাকৃত খেলাপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং সম্পদভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এই খাতে কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে পারে। আমাদের এই গবেষণা নোটে বাজেট ২০২৬-২৭ ইসলামী অর্থনীতি এর বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

## প্রত্যাশিত ফলাফল

এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়ন হলে মধ্যমেয়াদে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে:
* কর-জিডিপি অনুপাত ১২-১৫%-এ উন্নীত হবে।
* ঘাটতি-জিডিপি অনুপাত ৩-৪%-এ নামানো সম্ভব হবে।
* Debt Service/Revenue অনুপাত ৫০-৬০%-এ নামবে।

সর্বোপরি এই গবেষণা-নোটের কেন্দ্রীয় বার্তা হলো, বাজেটের মানদণ্ড শুধু GDP প্রবৃদ্ধি নয়; বরং মাকাসিদ আল-শরিয়াহর উদ্দেশ্যগুলো নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য

আইএফএ কনসালটেন্সি লিমিটেড | খ ২১৫/২, জেএস টাওয়ার, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা ১২১২ | +880 1958 048899 | [email protected]

To get this "Shariah Tech Guideline" kindly give us your mail.