Shop
Showing 33–42 of 42 resultsSorted by popularity
-
বই বিক্রি সংক্রান্ত শারিয়াহ নীতিমালা
৳ 1500 Add to cartবই বিক্রি সংক্রান্ত শারিয়াহ নীতিমালা
بسم الله الرحمن الرحيم
ভূমিকা:
১. হালালভাবে অর্থ উপার্জনের অন্যতম একটি মাধ্যম হলো ব্যবসা-বাণিজ্য। হালাল ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে শারিয়াহ উৎসাহিত করেছে। পাশাপাশি হারাম বর্জনেরও নির্দেশ দিয়েছে। সুতরাং যে ব্যবসায়ী তার ব্যবসায়িক কার্যক্রমে শারিয়াহ সমর্থিত নীতিমালা অনুসরণ করে ও ব্যবসার নীতি-নৈতিকতা (Business Ethics) বাস্তবায়ন করে ব্যবসা পরিচালনা করে তার জন্য দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা রয়েছে। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে:
عَنْ أَبِى سَعِيدٍ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ التَّاجِرُ الصَّدُوقُ الأَمِينُ مَعَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ
আবু সাঈদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমানতদার, সত্যবাদী মুসলিম ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন নবীদের সাথে, সিদ্দীক্বীন ও শহীদগণের সাথে অবস্থান করবে। সুনানে তিরমিযী: ১২০৯
– আর ব্যবসা-বাণিজ্য শুধুই অর্থ উপার্জনের মাধ্যম নয়। বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে ব্যবসা বাণিজ্য পারস্পরিক সহযোগিতা ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ভালো কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করা প্রসঙ্গে কুরআনুল কারীমে এরশাদ হয়েছে,
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى الخ
“তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে একে অন্যকে সহযোগিতা করবে”। (সূরা মায়েদা-২)
– সুতরাং ব্যবসায়িক পণ্য যখন শারিয়াহ বান্ধব ও জনকল্যাণমূলক হবে তখন সুস্থ ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে তা ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। অনুরূপভাবে সামাজিক কল্যাণের প্রতি লক্ষ্য না
-
সমবায় সমিতি পরিচালনা সংক্রান্ত মৌলিক শারিয়াহ গাইডলাইন
৳ 1000 Add to cartসমবায় সমিতি পরিচালনা সংক্রান্ত মৌলিক শারিয়াহ গাইডলাইন
بسم الله الرحمن الرحيم
সমবায় সমিতি পরিচালনা সংক্রান্ত মৌলিক শারিয়াহ গাইডলাইন
ইসলামিক সমবায় সমিতির কাঠামো বলতে বোঝানো হয় এমন সমবায় কাঠামো যা শারিয়াহর নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং পরিচালন নীতিমালায় শারিয়াহর সাথে সাংঘর্ষিক কোন ধারা থাকবে না। তাছাড়া (Compliance with Bangladeshi Laws) বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী পরিচালনার স্বার্থে বাংলাদেশ সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (২০০২ সালের সংশোধিত) এবং বাংলাদেশ সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ -সংশোধিত-২০২০ এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সমিতি পরিচালিত হবে। তবে যেসব ধারা শারিয়াহ পরিপন্থী হিসেবে গণ্য হবে সেগুলো পালন করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে এবং এক্ষেত্রে শারিয়াহ পরামর্শকদের সহযোগিতা নিতে হবে।
নিম্নে এ ধরনের একটি সু-সংগঠিত কাঠামো তুলে ধরা হলো:-
ইসলামিক সমবায় সমিতির কাঠামো
উক্ত কাঠামো যেসব বিষয়ের মাধ্যমে গঠিত হবে:
১. সমিতির নাম ও পরিচিতি
২. শারিয়াহ বোর্ডের তত্ত্বাবধান (Shariah Supervision)
৩. সদস্যপদ সংক্রান্ত নীতিমালা
৪. হালাল বিনিয়োগ (Halal Investment) সংক্রান্ত নীতিমালা
৫. লাভ ও লোকসান সংক্রান্ত নীতিমালা
৬. সামাজিক দায়িত্ব ও যাকাত নীতি (Social Responsibility and Zakat Policy)
৭. তাকাফুল (Takaful) ব্যবস্থাপনা
৮. প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কর্মসূচি
৯. স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা (Transparency and Accountability)
১০. অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ (Internal Control System) ও ব্যবস্থাপনা খরচ সংক্রান্ত নীতিমালা
১১. সংযুক্তি – ১: সমবায় সমিতি পরিচালনায় ব্যবহৃত বহুল প্রচলিত কিছু হীলা যেগুলো প্রয়োগ করা হতে বেচে থাকা জরুরী
১. সমিতির নাম ও পরিচিতি:
- ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে এমন নাম সমিতির জন্য নির্বাচন করার বাঞ্ছনীয়। তবে শালীন, অর্থবহ, কল্যাণের ইঙ্গিতবাহী যেকোনো ভালো ও সুন্দর নাম রাখা যেতে পারে।
- সমিতির লক্ষ্য হবে পারস্পরিক সহযোগিতা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচন। ইসলাম ও নৈতিকতার মানদণ্ডে সমিতির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি সমাজকে সুদ, জুয়া ইত্যাদি সব ধরনের আর্থিক জুলুম থেকে মুক্ত করে ন্যায় ও সাম্যের পথে ইতিবাচকভাবে অগ্রসর করবে।
-
Shariah Consultancy For Individual (50 Min)
৳ 3500 Add to cart -
ইস্তিসনা গাইডলাইন
৳ 3000 Add to cartইস্তিসনা চুক্তি সংক্রান্ত মৌলিক গাইডলাইন
بسم الله الرحمن الرحيم
ইস্তিসনা চুক্তির পরিচিতি: শারিয়াহর দৃষ্টিতে ইস্তিসনা হচ্ছে- একটি ক্রয়-বিক্রয়মূলক চুক্তি যার অধীনে এমন পণ্যের অগ্রীম বিক্রয় হয় যা কাচামালের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা/তৈরি করার প্রয়োজন হয়। এই চুক্তির আওতায় নির্মাতা/ঠিকাদার/বিক্রেতা তার দায়িত্বে সেই পণ্য প্রস্তুত/ নির্মাণ/সংগ্রহ করে গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করে।
-
- শারিয়াহসম্মতভাবে ইস্তিসনা চুক্তি সম্পন্ন করার আগে কয়েকটি ধাপে চুক্তির বিষয়াদি যাচাই করা কর্তব্য। এর মধ্যে প্রধান পয়েন্ট হলো ৩ টি। যথাঃ-
- ১. ক্রেতা-বিক্রেতা
- ২. মূল্য
- ৩. পণ্য
নিম্নে প্রথমত উক্ত ৩ টি বিষয়ের যাচাই ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নীতিমালা উল্লেখ করা হবে। অতঃপর অন্যান্য নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
১. ক্রেতা-বিক্রেতাঃ
১.১. মৌলিক কাজ বা অধিকাংশ কার্যক্রম হারাম এমন কোম্পানি/প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি এর সাথে ইস্তিসনা চুক্তি থেকে বিরত থাকবে।
১.২. মৌলিক কাজ বা অধিকাংশ কার্যক্রম হালাল, প্রোডাক্টও হালাল তবে প্রোডাক্টটির মাধ্যমে/ব্যবহার করে কোম্পানি/প্রতিষ্ঠান হারাম কাজে লিপ্ত হবে নিশ্চিতভাবে এমনটি জানা থাকলে ইস্তিসনা চুক্তি থেকে বিরত থাকবে। যেমন:- নিয়মিত গানের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আইটি কোম্পানি কর্তৃক দামি সাউন্ড সিস্টেম ক্রয় করা।
১.৩. সরাসরি ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধনে লিপ্ত কোন কোম্পানি/প্রতিষ্ঠানকে ইস্তিসনা চুক্তির সুবিধা প্রদান করা যাবে না।
-
-
যৌথ পরিষেবা (শিরকাতুল আমাল) কেন্দ্রিক চুক্তিপত্র
৳ 2000 Add to cartশর্তসমূহ
- চুক্তির ধরন:
চুক্তিপত্রটি ইসলামী শারিয়াহ ভিত্তিক পরিচালিত অর্থ ব্যবস্থার অধীনে শিরকাতুল আমাল পদ্ধতির আলোকে সম্পাদিত চুক্তিপত্র বলিয়া বিবেচ্য হইবে। উল্লেখ্য, প্রচলিত আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য ক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হইবে। তবে প্রচলিত আইন শারিয়াহ আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হইলে শরিয়াহ আইন প্রযোজ্য হইবে।
- চুক্তির মেয়াদ সংক্রান্ত:
(ক) এই চুক্তিপত্র. . . . . . .ইং হইতে . . . . . .ইং তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকিবে।
(খ) উভয় পক্ষের সম্মতিতে কমপক্ষে…….… দিন/মাস পূর্বে যে কোন পক্ষের মৌখিক/লিখিত নোটিশের ভিত্তিতে এই চুক্তিপত্রের মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাইতে পারে।
-
হায়ার পার্চেজ আন্ডার শিরকাতুল মিল্ক টেমপ্লেট
৳ 3000 Add to cartচুক্তির শর্তাবলী
১. অত্র বিনিয়োগ চুক্তিপত্র পক্ষদ্বয়ের মধ্যে অদ্য . . . . . . . ইং তারিখ হইতে . . . . . . .ইং তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ . . . . . () বছর—–() মাস জন্য কার্যকর থাকিবে।
২. অত্র চুক্তিপত্রটি ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালিত অর্থ ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত “হায়ার পার্চেজ আন্ডার শিরকাতুল মিল্ক” পদ্ধতিতে বিনিয়োগ পদ্ধতির আলোকে সম্পাদিত চুক্তিপত্র বলিয়া বিবেচ্য হইবে। উল্লেখ্য, প্রচলিত আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য ক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রযোজ্য হইবে। তবে প্রচলিত আইন শরিয়াহ আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হলে শরিয়াহ আইন প্রযোজ্য হইবে।
৩. পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে ২য় পক্ষের যশ, খ্যাতি ও সুনামের ভিত্তিতে ১ম পক্ষ “হায়ার পার্চেজ আন্ডার শিরকাতুল মিল্ক” পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করিবার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হইলেন।
-
INVESTMENT AGENCY AGREEMENT FOR PROJECT FINANCE
৳ 3000 Add to cartTERMS OF CONTRACT
- TYPE OF CONTRACT
This agreement shall be deemed to have been executed in the light of the Islamic Shariah-compliant financial system of investment, i.e. by the Al-Wakalah Bi Al-Istithmar/Investment Agency. The Fund Manager (SECOND PARTY) and the Principle (FIRST PARTY) acknowledge that this Agreement does not create a partnership or joint venture between them and is exclusively a contract for service. It is to be noted that the provisions of the prevailing law shall be duly applicable where applicable.
- TYPE OF BUSINESS AND AMOUNT OF INVESTMENT
The Principle (FIRST PARTY) hereby agrees to make an investment amounting to BDT. _______ (Taka _________________ Only) (hereinafter referred as the ‘Investment Amount’) in agricultural project (Dry Fish) and pay the Investment Amount immediately to the Fund Manager (SECOND PARTY) through cash, cheque or online bank transfer in the designated bank account of WEGRO TECHNOLOGIES LIMITED after execution of this Agreement. The purpose of this investment is to utilize the Investment Amount for the activities, which is directly or indirectly maintained and spent by the Fund Manager (SECOND PARTY) for its dry fish business till October 17, 2022.
-
অফিস/বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র
৳ 2000 Add to cart“অফিস/বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র”
শর্তসমূহঃ
১. চুক্তির মেয়াদঃ
অতঃপর বর্ণিত শর্তাবলী সাপেক্ষে উল্লিখিত ভাড়া চুক্তির মেয়াদ হইবে দলিল সম্পাদন পরবর্তী …………………..ইং হইতে ………………. ইং তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ ……. বছরের জন্য এই ভাড়া চুক্তি কার্যকর থাকিবে। চুক্তির মেয়াদান্তে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতিতে প্রয়োজনীয় শর্ত যু্ক্ত করে নতুন ভাড়া চুক্তি সম্পাদন করা যাইতে পারে। তবে ২য় পক্ষ ভাড়া থাকাকালীন ১ম পক্ষ ৩য় পক্ষের কাছে ভাড়া প্রদান করিতে পারিবেন না।
২. ভাড়ার ধরনঃ
২য় পক্ষ বর্ণিত স্পেসে অফিস/বাসা পরিচালনার স্বার্থে ব্যবসা/অন্যান্য কার্য করিবেন। দেশের প্রচলিত আইন মোতাবেক ২য় পক্ষ নিজ দায়িত্বে ব্যবসা/অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করিবে। কাজের/ব্যবসার কোন প্রকার অনিয়মের জন্য ১ম পক্ষ দায়ী থাকিবে না।
-
করজে হাসানা টেমপ্লেট
৳ 2000 Add to cartকরজে হাসানা (ঋণ) চুক্তিপত্র
১.আমি, __________________________________________ (“ঋণগ্রহীতা”) এতদ্বারা _______________________________ (“ঋণদাতা”)-কে নিশ্চিত করছি এবং স্বীকার করছি যে আমি ঋণদাতার কাছে _______ তারিখে (“ঋণ প্রদানের তারিখ”) ___ মাসের/বছরের মেয়াদে (“ঋণের মেয়াদ”_____________________________________________-এর (“ঋণের কারণ”) জন্য _________________________________________ টাকা (Tk _________) (“ঋণ”) ঋণ গ্রহণ করছি।
-
ওয়াকফ ফান্ড পরিচালনা করার জন্য শারিয়াহ নীতিমালা
৳ 3000 Add to cartক্যাশ ওয়াকফ এর মাধ্যমে ফান্ড পরিচালনা করার জন্য শারিয়াহ নীতিমালা
بسم الله الرحمن الرحيم
১. ওয়াকফ ফান্ডের মৌলিক কাঠামো
যেকোনো ধরনের অনুদানভিত্তিক দাতব্য ফান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে দু ধরনের মডেল অনুসরণ করা যেতে পারে। একটি হচ্ছে তাবাররু মডেল আর অপরটি হচ্ছে ওয়াকফ মডেল। বিশ্বের বহু উলামায়ে কেরামের মতে এ ধরনের ফান্ড ওয়াকফভিত্তিক গঠন করা বাঞ্ছনীয়। নিম্নে ওয়াকফ ফান্ড এর মৌলিক কাঠামো নিম্নে তুলে ধরা হলো:-
- ওয়াকফ ফান্ডের স্বতন্ত্র আইনি সত্ত্বা থাকবে যার মাধ্যমে এটি মালিকানা লাভের অধিকারী হবে। সদস্যদের কেউ উক্ত ফান্ডের মালিক থাকবে না।
- ওয়াকফ ফান্ডে প্রাথমিক অবস্থায় যেগুলো ওয়াকফ করা হবে সেগুলো ওয়াকফ হিসেবেই গণ্য হবে এবং সাধারণ ফান্ডের ন্যায় এটাকে সরাসরি খরচ করে ফেলা যাবে না বরং উক্ত ফান্ডকে শারিয়াহসম্মতভাবে বিনিয়োগ করতে হবে। অতপর উক্ত বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা হতে খরচ করতে হবে এবং সর্বাবস্থায় ওয়াকফকৃত অর্থ বহাল রাখতে হবে।
- প্রত্যেক সদস্য ফান্ডের পলিসি অনুযায়ী প্রতি মাসে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ ফান্ডে জমা করবেন যা ওয়াকফ ফান্ডের আয় হিসেবে গণ্য হবে।
- ওয়াকফকারীদের শর্তানুযায়ী ওয়াকফ থেকে প্রাপ্ত আয় নিজেদের মধ্যেই খরচ করা হবে। সাথে সাথে পরবর্তীতে যে অর্থ উক্ত ফান্ডে জমা করা হবে সেগুলোরও মালিক হবে উক্ত ওয়াকফ ফান্ড। এবং সেখান থেকেও তাদের নির্ধারিত খাতে খরচ করা হবে।
-
- যেহেতু ওয়াকফ ফান্ডের মূল টাকা থেকে সরাসরি কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না বরং সেটাকে বিনিয়োগ করে প্রাপ্ত আয় থেকে খরচ করতে হবে তাই শুরু থেকেই উক্ত ফান্ডে সরাসরি ওয়াকফের অর্থ অল্প পরিমাণে রাখা হবে আর অবশিষ্ট অর্থ ওয়াকফের আয় হিসেবে রেখে দিতে হবে যাতে সুবিধা মোতাবেক সেটাকে সহজে কাজে লাগানো যায়।
- ওয়াকফ মূলত স্থায়ী হওয়াই কাম্য। অধিকাংম উলামায়ে কেরামের মতে ওয়াকফ অস্থায়ী হতে পারে না বরং চিরস্থায়ী হতে হয়। তাই সাময়িক ওয়াকফ না করে ব্যাপকভাবে ওয়াকফ করাই অধিক উত্তম হবে। তবে কোন কোন স্কলারের মতে ওয়াকফ সাময়িক সময়ের জন্যও হতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে প্রয়োজনে সাময়িকভাবেও ওয়াকফ করা যেতে পারে। নিম্নে উক্ত ফান্ড পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা উল্লেখ করা হলো:-
২. ম্যানেজমেন্টের গঠন ও দায়িত্ব:
- বোর্ড অব ট্রাস্টিজ: একটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠন করতে হবে যা ওয়াকফ ফান্ড পরিচালনা করবে। এই বোর্ডে দক্ষ, বিশ্বস্ত এবং শরিয়াহ জ্ঞানসম্পন্ন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
- বোর্ডের দায়িত্ব: বোর্ডের দায়িত্ব হবে ওয়াকফ সম্পদের সুরক্ষা, বিনিয়োগের তদারকি, আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সম্পন্ন করা।
- প্রত্যেক সদস্য ফান্ডের পলিসি অনুযায়ী প্রতি মাসে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ ফান্ডে জমা করবেন যা ওয়াকফ ফান্ডের আয় হিসেবে গণ্য হবে।









