Related products
-
কর্জভিত্তিক ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স গাইডলাইন
৳ 3000 Add to cartইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স গাইডলাইন
ভূমিকাঃ
সমাজের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদা পূরণে ও তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীকরণে মাইক্রো ফিন্যান্সের ভূমিকা অপরিসীম। তবে বিদ্যমান কনভেনশনাল মাইক্রো ফিন্যান্সে পুঁজিবাদের নানা ক্ষতিকর উপাদান, ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান থাকায় সেটি সামষ্টিকভাবে উপকারী হওয়ার বদলে ক্ষেত্রবিশেষে আরো অপকারী সাব্যস্ত হয়েছে। পক্ষান্তরে ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স এই সকল সীমাবদ্ধতা ও ত্রুটি থেকে মুক্ত হওয়ার কারণে সত্যিকার অর্থে গরীব-দুঃখী মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। ঐশি বিধানের আলোকে গড়ে উঠার কারণে ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স একদিকে যেমন ত্রুটিমূক্ত, অপরদিকে তা ভারসাম্যপূর্ণ ও ইনসাফভিত্তিক মর্মে বোদ্ধামহলের স্বীকৃতি লাভ করেছে।
ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স পরিচয়ঃ
ইসলামী শারিয়াহর নীতিমালা অনুসরণ করে দেশের সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান ও সুবিধা নিশ্চিতকরণের লক্ষে তথা হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এবং তাদের আবশ্যকীয় প্রয়োজন পূরণার্থে যে ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রদান করা হয় তাকে ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স বলে।
গাইডলাইন পরিধিঃ
ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স কার্যক্রম বিশেষত কর্জে হাসানাভিত্তিক মাইক্রো ফিন্যান্স কার্যক্রম বাস্তবায়নে আগ্রহী ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানের জন্য, সংশ্লিষ্ট মৌলিক শারিয়াহ নীতিমালা নির্দেশ করণার্থে বক্ষমাণ গাইডলাইনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে মৌলিকভাবে নিম্নোক্ত বিষয়াবলী আলোচিত হয়েছে-
- ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স প্রতিষ্ঠানের ধরণ
- কর্জভিত্তিক ফান্ডের আয়ের উৎস
- কর্জভিত্তিক ফান্ডের ব্যয়ের ক্ষেত্র
- কর্জে হাসানাহ উসুল পদ্ধতি
- সংশ্লিষ্ট জনবলের বেতন-পারিতোষিক ও আনুষঙ্গিক খরচ
১. ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স প্রতিষ্ঠানের ধরণঃ
আর্থিক কার্যক্রমের ভিত্তিতে মৌলিকভাবে ইসলামী মাইক্রো ফিন্যান্স প্রতিষ্ঠান তিন ধরণের হতে পারে-
- লাভজনক
- অলাভজনক
- মিশ্র/ হাইব্রিড
-
গিফট গাইডলাইন
৳ 2500 Add to cartডাক্তারদের সাথে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের লেনদেনের শারিয়াহ নীতি
বিভিন্ন মেডিসিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ডাক্তারদেরকে সময়ে সময়ে বিভিন্ন উপহার-উপঢৌকন দেওয়া হয়ে থাকে। এসব উপহার সামগ্রী বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। যথা:—
১. স্টেশনারি সামগ্রী:- যেমন, কলম, খাতা, প্যাড, স্ট্যাপলার, স্লিপবক্স ইত্যাদি। এ সকল পণ্যে কোম্পানির বা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ট্রেডমার্ক বা ট্রেডনেম ছাপানো থাকে। এগুলো প্রদানের উদ্দেশ্য হলো, কোম্পানির প্রচার-প্রসার। এগুলো যে টেবিলেই রাখা হোক তা বিজ্ঞাপনের কাজ দেয়। এমন উদ্দেশ্যে উপহার প্রদান ও গ্রহণ বৈধ। তবে যদি ডাক্তার জানেন, কোম্পানিটি আসলে ভেজাল; মানুষ প্রতারিত হবে, তাহলে উক্ত কোম্পানির প্রচারণা বন্ধ করতে তা গ্রহণ করা হতে বিরত থাকতে হবে।
২. ঔষধ সামগ্রী:- কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভগণ বিভিন্ন ওষুধের স্যাম্পল দিয়ে থাকেন। এগুলো প্রদানের উদ্দেশ্য হল, জেনেরিক নামের ঔষধগুলো নির্দিষ্ট কোম্পানি কোন নামে ব্র্যান্ডিং করছে তা ডাক্তারকে অবগত করা এবং এই ঔষুধগুলো যাচাই-বাছাই এর উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা। এমন উপহারের বিধান হল, কোম্পানি ভেজাল না হলে ওষুধ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে ডাক্তারদেরকে দেওয়ার জন্য যে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল রয়েছে, নির্ধারিত কোম্পানির ওষুধ বিক্রির বিনিময় বা উৎকোচ হিসাবে না হলে সেগুলো গ্রহণ করা ডাক্তারদের জন্য জায়েয। তবে ওইগুলো যেহেতু ফ্রি বিতরণ করে রোগীদের উপর প্রয়োগের মাধ্যমে ডাক্তারদের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য দেওয়া হয় এবং তা বিক্রি নিষিদ্ধ থাকে, তাই ডাক্তারের জন্য ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি করা জায়েয হবে না। বরং ডাক্তার যে রোগীর জন্য তা সমীচীন মনে করবে তাকে ফ্রি প্রদান করবে। যদি কোনো কারণে বিক্রি করে দেওয়া হয় তাহলে তার মূল্য সাদাকাহ করে দেয়া বাঞ্ছনীয়।
৩. নগদ অর্থ ও মূল্যবান আসবাবপত্র ও মোবাইল রিচার্জ কার্ড ইত্যাদি প্রদান:- সাধারণত এসবের উদ্দেশ্য হয়, দাতা কোম্পানির ওষুধের নাম লিখার জন্য- এমন উপহার গ্রহণ অবৈধ। কারণ, শরীয়তের দৃষ্টিতে তা বিনিময়হীন উৎকোচের শামিল। ডাক্তারগণ রোগীর প্রকৃত অবস্থা বিবেচনায় এনে কোন কোম্পানির কী ওষুধের নাম লিখবেন তা তার পেশাগত দায়িত্বেরই অংশ বিশেষ। এ দায়িত্ব আদায় করে তিনি তৃতীয় পক্ষ থেকে কমিশন বা এ জাতীয় কিছু গ্রহণ করতে পারেন না। এ কাজের জন্য তো তিনি রোগী থেকেই ভিজিট নিচ্ছেন। সুতরাং এটি ‘আকলুল মাল বিল বাতিল’ (অন্যায় ভাবে অন্যের সম্পদ গ্রাস করা—যা সূরা বাকারা ১৮৮নং আয়াত দ্বারা নিষিদ্ধ)-এর অন্তর্ভুক্ত।
৪. স্কলারশিপ,সেমিনার,ওয়ার্কশপ ইত্যাদির আয়োজন:- সাধারণত বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি মার্কেটিং বা প্রমোশনাল উদ্দেশ্যে এই জাতীয় আয়োজন করে থাকে। এক্ষেত্রে কোম্পানির ব্র্যান্ডিং বা কোম্পানির সুনির্দিষ্ট কোন প্রোডাক্টের ব্র্যান্ডিং-ও কখনও করা হয়ে থাকে। এই জাতীয় আয়োজনে ওষুধ কোম্পানি ডাক্তারদের উপর প্রভাব বিস্তার করার বিষয়টিও একেবারে অগ্রাহ্য করা যায় না। এমনটি হয়ে থাকলে এটি শারিয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
উপরে যা বলা হল, তা কেবল উদাহরণ হিসাবে বলা হয়েছে। এর বাহিরেও নানা ক্ষেত্রে, নানা মাধ্যমে হাদিয়ার নামে ঘুষের সূক্ষ্ম লেনদেন হতে পারে। কখনও এ দুয়ের মাঝে পার্থক্য করাও কষ্টকর হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত মাণদণ্ড অনুসরণ করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে কোনটি হাদিয়া, কোনটি ঘুষ-তা সহজে নির্ণয় করা যাবে।
-
ব্যাংকে বিভিন্ন একাউন্ট খোলার শারিয়াহ গাইডলাইন
৳ 1000 Add to cartকনভেনশনাল ব্যাংকে সেভিংস/এফডিআর/এসএনডি/ কারেন্ট একাউন্ট খোলার বিধান
১. সেভিংস/এফডিআর/এসএনডি/কারেন্ট একাউন্টের শারিয়াহ অভিযোজন (Shariyah Classification):-
এ ব্যাপারে প্রায় সকল আন্তর্জাতিক ফিকহ-ফোরামের বক্তব্য অভিন্ন যে, কনভেনশনাল ব্যাংকে কারেন্ট, সেভিংস, এসএনডি বা এফডিআর একাউন্ট খোলার মাধ্যমে মূলত ব্যাংকের সাথে ঋণের চুক্তি করা হয়। অর্থাৎ শারিয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে এটি গ্রাহকের পক্ষ থেকে ব্যাংককে ঋণ প্রদান করা।
২. সেভিংস/এফডিআর/এসএনডি একাউন্টের শারিয়াহ বিধানঃ-
উপরের বিবরণ থেকে এটা স্পষ্ট যে, কনভেনশনাল ব্যাংকে সেভিংস, এফডিআর বা এসএনডি একাউন্ট খোলার মাধ্যমে মূলত ব্যাংকের সাথে ঋণের চুক্তি করা হয়। আর ঋণের বিপরীতে শর্ত করে কোন ধরনের উপকার গ্রহণ স্পষ্ট রিবা/সুদের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং কনভেনশনাল ব্যাংকে সেভিংস/এফডিআর/এসএনডি একাউন্ট খোলা কোনভাবেই বৈধ নয়। উল্লিখিত একাউন্ট থেকে প্রাপ্ত সুদ হারাম থেকে নিষ্কৃতির নিয়তে সওয়াবের নিয়ত ছাড়া সাদাকাহ করে দিতে হবে।
-
শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় শরীয়াহ গাইডলাইন
৳ 3000 Add to cartপূঁজিবাজার থেকে শেয়ার ক্রয়ের শরীয়াহ নীতিমালা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পূঁজিবাজার থেকে শেয়ার ক্রয়ের শরীয়াহ নীতিমালা
(বিস্তারিত)
———————–
মূল মেথডোলজি পেশ করার পূর্বে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কথা আরজ করছি-
১। পূঁজিবাজার থেকে শেয়ার ক্রয় বিষয়ে এখানে যে শরীয়াহ নীতিমালা আলোচনা করা হয়েছে, এগুলো সমসাময়িক নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞ ফকীহগণের ইজতিহাদ নির্ভর। এটি জানা কথা যে, আধুনিক ইস্যূতে ইজতিহাদের সুযোগ আছে। আবার ইজতিহাদ করতে যেয়ে মতভিন্নতারও সুযোগ আছে।
২। আলোচিত বিষয়ে ইজতিহাদের আলোকে বিজ্ঞ ফকীহগণ যেসব মতামত পেশ করেছেন, এগুলো ইসলামের মূল সৌন্দর্য নয়। বরং পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে, সাময়িকভাবে এসব মতামত প্রদান করা হয়েছে। এগুলোই ইসলামের মূল বিধান-বিষয়টি মোটেও এমন নয়।
৩। এক্ষেত্রে যেসব ছাড়ের কথা বলা হয়েছে, এগুলোর অর্থ এ নয়, আমাকে এ ছাড় গ্রহণ করতেই হবে। বরং পারতপক্ষে এসব ছাড় গ্রহণ না করাই উত্তম-এ ব্যাপারে কারও কোনও দ্বিমত নেই।
৪। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাপী যেসব শরীয়াহ মতামত রয়েছে, সেগুলোর আলোকে, সমন্বয় করে আমাদের দেশের জন্য অধিক উপযোগী ও শরীয়াহর অধিক কাছাকাছি যায়-এ ধরনের মেথডোলজি প্রস্তাব করেছি। যেহেতু বিষয়টি ইজতিহাদ নির্ভর, তাই আমাদের প্রস্তাবনার সাথে বিজ্ঞ কোনও ফকীহ-দ্বিমত করার সুযোগ আছে। আমরা তা শ্রদ্ধার সাথে দেখবো।
৫। এখানে যা বলা হয়েছে, তাই চূড়ান্ত নয়। সময় ও পরিস্থিতির আলোকে সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে।
উপরোক্ত জরুরী কথাগুলো সামনে রেখে-নিম্নে শারীয়াহ মেথডোলজি পেশ করা হল-
মেথডোলজি শিরোনাম:
- শেয়ারের প্রকৃতি নির্ণয়
- খাত ভিত্তিক শরীয়াহ স্ক্রিনিং
- অর্থায়ন ভিত্তিক শরীয়াহ স্ক্রিনিং
- বিনিয়োগ ভিত্তিক শরীয়াহ স্ক্রিনিং
ক. সুদ ভিত্তিক ঋণ গ্রহণ।
খ. সুদ ভিত্তিক ডিপোজিট প্রদান
- তরল এ্যাসেট প্রসঙ্গ
- ফটকাবাজি প্রসঙ্গে
- শেষ কথা
ছবি, ভিডিও ও টেক্সট কন্টেন্ট মার্কেটিং বিষয়ক শারিয়াহ গাইডলাইন
১. ছবি সংক্রান্ত শারিয়াহ বিধান
১. পরিভাষা পরিচিতি
১.১ ‘সাধারণ ছবি’- বলতে বোঝানো হয়:- স্পর্শযোগ্য কোন মাধ্যমে কোন বস্তু, প্রাণী বা মানুষ সদৃশ স্থায়ী প্রতিকৃতি সৃষ্টি করা যা মূল মাধ্যম থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় পৃথক হয় না। যেমনঃ কাগজ, টাইলস, মগ, দেয়াল ইত্যাদিতে আঁকা-প্রিন্ট করা।
১.২ ‘ডিজিটাল ছবি’ হচ্ছে:- এক ধরনের ইলেকট্রিক প্রতিফলিত রশ্মির সমষ্টি। ইলেকট্রিক সিগন্যাল ও ডিসপ্লে এর মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সাধারণত একটি বাইনারি সিস্টেমে তা সংরক্ষণ করা হয়। এটা কয়েক ধরনের হয়। যেমন, রাস্টার ইমেজ বা বিটম্যাপ ইমেজ।
২. শারিয়াহ পর্যালোচনা
২.১ প্রাণীর সাধারণ ছবি, মূর্তি, ভাস্কর্য ও ত্রিমাত্রিক ছবি অংকন করার বৈধতা ইসলামে নেই। বহুসংখ্যক হাদীসের আলোকে এসব ছবি হারাম, নাজায়েয। হাদিসে ছবি অঙ্কনকারীর জন্য ভয়াবহ আযাবের কথা এসেছে। রাসূল সা. বলেছেন:-
“إن أشد الناس عذابا يوم القيامة المصورون”
অর্থাৎ, কেয়ামতের দিন সবচেয়ে ভয়াবহ আযাবের সম্মুখীন হবে ছবি অঙ্কনকারীরা। (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ২১০৯)
২.২ বিশেষ প্রয়োজনে যেমন আইডি কার্ড, পাসপোর্ট ইত্যাদির প্রয়োজনে ছবি তোলা ও সংরক্ষণ করা নাজায়েয নয়।
২.৩ নিষ্প্রাণ ও জড়বস্তুর সাধারণ ছবি, ভাস্কর্য সন্দেহাতীতভাবে জায়েজ। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য শোপিস হিসেবে তা দেয়াল, আলমারি ইত্যাদিতে সংরক্ষণ করাও জায়েয।
২.৪ প্রাণীর ডিজিটাল ছবি হার্ডডিস্ক বা মেমরিতে থাকা পর্যন্ত তথা প্রিন্ট করার আগ পর্যন্ত এইসব ছবির ব্যাপারে ওলামাদের মধ্যে দুইটি মতামত রয়েছে।





Reviews
There are no reviews yet.