Related products
-
আইটি পেশা ও অনলাইনে উপার্জন: শারিয়াহ গাইডলাইন
৳ 0 Add to cartআইটি পেশা ও অনলাইনে উপার্জন: শারিয়াহ গাইডলাইন
শুরু কথা
মহান রাব্বুল আ’লামীনের আদেশে আমাদেরকে হালাল গ্রহণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হালাল গ্রহণ ও হারাম বর্জন—এটি শুধুমাত্র মুসলিম হওয়ার জন্য নয়, বরং পৃথিবীর জীবনে ভালো করতে হলেও অত্যন্ত জরুরি। আল্লাহ তাআলা তাঁর মহামূল্য কিতাব কুরআনুল কারীম-এ একাধিক স্থানে হালাল গ্রহণের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:
“يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَاشْكُرُوا لِلَّهِ إِن كُنتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ”
“হে মুমিনগণ, আহার করো যা আমি তোমাদেরকে যে হালাল রিজিক দিয়েছি তা থেকে এবং আল্লাহর জন্য শুকরিয়া প্রকাশ করো, যদি তোমরা তাঁকে ইবাদতকারী হও।”
(সূরা বাকারা: ১৭১)এছাড়া, পৃথিবীর সকল মানুষকে হালাল গ্রহণের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:
“يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًا وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ”
“হে মানুষ, যমীনে যা রয়ে গেছে, তা থেকে হালাল ও উত্তম বস্তু আহার কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট শত্রু।”
(সূরা বাকারা: ১৬৮) -
গিফট গাইডলাইন
৳ 2500 Add to cartডাক্তারদের সাথে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের লেনদেনের শারিয়াহ নীতি
বিভিন্ন মেডিসিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ডাক্তারদেরকে সময়ে সময়ে বিভিন্ন উপহার-উপঢৌকন দেওয়া হয়ে থাকে। এসব উপহার সামগ্রী বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। যথা:—
১. স্টেশনারি সামগ্রী:- যেমন, কলম, খাতা, প্যাড, স্ট্যাপলার, স্লিপবক্স ইত্যাদি। এ সকল পণ্যে কোম্পানির বা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ট্রেডমার্ক বা ট্রেডনেম ছাপানো থাকে। এগুলো প্রদানের উদ্দেশ্য হলো, কোম্পানির প্রচার-প্রসার। এগুলো যে টেবিলেই রাখা হোক তা বিজ্ঞাপনের কাজ দেয়। এমন উদ্দেশ্যে উপহার প্রদান ও গ্রহণ বৈধ। তবে যদি ডাক্তার জানেন, কোম্পানিটি আসলে ভেজাল; মানুষ প্রতারিত হবে, তাহলে উক্ত কোম্পানির প্রচারণা বন্ধ করতে তা গ্রহণ করা হতে বিরত থাকতে হবে।
২. ঔষধ সামগ্রী:- কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভগণ বিভিন্ন ওষুধের স্যাম্পল দিয়ে থাকেন। এগুলো প্রদানের উদ্দেশ্য হল, জেনেরিক নামের ঔষধগুলো নির্দিষ্ট কোম্পানি কোন নামে ব্র্যান্ডিং করছে তা ডাক্তারকে অবগত করা এবং এই ঔষুধগুলো যাচাই-বাছাই এর উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা। এমন উপহারের বিধান হল, কোম্পানি ভেজাল না হলে ওষুধ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে ডাক্তারদেরকে দেওয়ার জন্য যে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল রয়েছে, নির্ধারিত কোম্পানির ওষুধ বিক্রির বিনিময় বা উৎকোচ হিসাবে না হলে সেগুলো গ্রহণ করা ডাক্তারদের জন্য জায়েয। তবে ওইগুলো যেহেতু ফ্রি বিতরণ করে রোগীদের উপর প্রয়োগের মাধ্যমে ডাক্তারদের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য দেওয়া হয় এবং তা বিক্রি নিষিদ্ধ থাকে, তাই ডাক্তারের জন্য ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি করা জায়েয হবে না। বরং ডাক্তার যে রোগীর জন্য তা সমীচীন মনে করবে তাকে ফ্রি প্রদান করবে। যদি কোনো কারণে বিক্রি করে দেওয়া হয় তাহলে তার মূল্য সাদাকাহ করে দেয়া বাঞ্ছনীয়।
৩. নগদ অর্থ ও মূল্যবান আসবাবপত্র ও মোবাইল রিচার্জ কার্ড ইত্যাদি প্রদান:- সাধারণত এসবের উদ্দেশ্য হয়, দাতা কোম্পানির ওষুধের নাম লিখার জন্য- এমন উপহার গ্রহণ অবৈধ। কারণ, শরীয়তের দৃষ্টিতে তা বিনিময়হীন উৎকোচের শামিল। ডাক্তারগণ রোগীর প্রকৃত অবস্থা বিবেচনায় এনে কোন কোম্পানির কী ওষুধের নাম লিখবেন তা তার পেশাগত দায়িত্বেরই অংশ বিশেষ। এ দায়িত্ব আদায় করে তিনি তৃতীয় পক্ষ থেকে কমিশন বা এ জাতীয় কিছু গ্রহণ করতে পারেন না। এ কাজের জন্য তো তিনি রোগী থেকেই ভিজিট নিচ্ছেন। সুতরাং এটি ‘আকলুল মাল বিল বাতিল’ (অন্যায় ভাবে অন্যের সম্পদ গ্রাস করা—যা সূরা বাকারা ১৮৮নং আয়াত দ্বারা নিষিদ্ধ)-এর অন্তর্ভুক্ত।
৪. স্কলারশিপ,সেমিনার,ওয়ার্কশপ ইত্যাদির আয়োজন:- সাধারণত বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি মার্কেটিং বা প্রমোশনাল উদ্দেশ্যে এই জাতীয় আয়োজন করে থাকে। এক্ষেত্রে কোম্পানির ব্র্যান্ডিং বা কোম্পানির সুনির্দিষ্ট কোন প্রোডাক্টের ব্র্যান্ডিং-ও কখনও করা হয়ে থাকে। এই জাতীয় আয়োজনে ওষুধ কোম্পানি ডাক্তারদের উপর প্রভাব বিস্তার করার বিষয়টিও একেবারে অগ্রাহ্য করা যায় না। এমনটি হয়ে থাকলে এটি শারিয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
উপরে যা বলা হল, তা কেবল উদাহরণ হিসাবে বলা হয়েছে। এর বাহিরেও নানা ক্ষেত্রে, নানা মাধ্যমে হাদিয়ার নামে ঘুষের সূক্ষ্ম লেনদেন হতে পারে। কখনও এ দুয়ের মাঝে পার্থক্য করাও কষ্টকর হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত মাণদণ্ড অনুসরণ করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে কোনটি হাদিয়া, কোনটি ঘুষ-তা সহজে নির্ণয় করা যাবে।
-
ক্যাশ ওয়াকফ এর মাধ্যমে ফান্ড পরিচালনা করার জন্য শারিয়াহ নীতিমালা
৳ 3000 Add to cartক্যাশ ওয়াকফ এর মাধ্যমে ফান্ড পরিচালনা করার জন্য শারিয়াহ নীতিমালা
بسم الله الرحمن الرحيم
১. ওয়াকফ ফান্ডের মৌলিক কাঠামো
যেকোনো ধরনের অনুদানভিত্তিক দাতব্য ফান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে দু ধরনের মডেল অনুসরণ করা যেতে পারে। একটি হচ্ছে তাবাররু মডেল আর অপরটি হচ্ছে ওয়াকফ মডেল। বিশ্বের বহু উলামায়ে কেরামের মতে এ ধরনের ফান্ড ওয়াকফভিত্তিক গঠন করা বাঞ্ছনীয়। নিম্নে ওয়াকফ ফান্ড এর মৌলিক কাঠামো নিম্নে তুলে ধরা হলো:-
- ওয়াকফ ফান্ডের স্বতন্ত্র আইনি সত্ত্বা থাকবে যার মাধ্যমে এটি মালিকানা লাভের অধিকারী হবে। সদস্যদের কেউ উক্ত ফান্ডের মালিক থাকবে না।
- ওয়াকফ ফান্ডে প্রাথমিক অবস্থায় যেগুলো ওয়াকফ করা হবে সেগুলো ওয়াকফ হিসেবেই গণ্য হবে এবং সাধারণ ফান্ডের ন্যায় এটাকে সরাসরি খরচ করে ফেলা যাবে না বরং উক্ত ফান্ডকে শারিয়াহসম্মতভাবে বিনিয়োগ করতে হবে। অতপর উক্ত বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা হতে খরচ করতে হবে এবং সর্বাবস্থায় ওয়াকফকৃত অর্থ বহাল রাখতে হবে।
- প্রত্যেক সদস্য ফান্ডের পলিসি অনুযায়ী প্রতি মাসে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ ফান্ডে জমা করবেন যা ওয়াকফ ফান্ডের আয় হিসেবে গণ্য হবে।
- ওয়াকফকারীদের শর্তানুযায়ী ওয়াকফ থেকে প্রাপ্ত আয় নিজেদের মধ্যেই খরচ করা হবে। সাথে সাথে পরবর্তীতে যে অর্থ উক্ত ফান্ডে জমা করা হবে সেগুলোরও মালিক হবে উক্ত ওয়াকফ ফান্ড। এবং সেখান থেকেও তাদের নির্ধারিত খাতে খরচ করা হবে।
-
- যেহেতু ওয়াকফ ফান্ডের মূল টাকা থেকে সরাসরি কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না বরং সেটাকে বিনিয়োগ করে প্রাপ্ত আয় থেকে খরচ করতে হবে তাই শুরু থেকেই উক্ত ফান্ডে সরাসরি ওয়াকফের অর্থ অল্প পরিমাণে রাখা হবে আর অবশিষ্ট অর্থ ওয়াকফের আয় হিসেবে রেখে দিতে হবে যাতে সুবিধা মোতাবেক সেটাকে সহজে কাজে লাগানো যায়।
- ওয়াকফ মূলত স্থায়ী হওয়াই কাম্য। অধিকাংম উলামায়ে কেরামের মতে ওয়াকফ অস্থায়ী হতে পারে না বরং চিরস্থায়ী হতে হয়। তাই সাময়িক ওয়াকফ না করে ব্যাপকভাবে ওয়াকফ করাই অধিক উত্তম হবে। তবে কোন কোন স্কলারের মতে ওয়াকফ সাময়িক সময়ের জন্যও হতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে প্রয়োজনে সাময়িকভাবেও ওয়াকফ করা যেতে পারে। নিম্নে উক্ত ফান্ড পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা উল্লেখ করা হলো:-
২. ম্যানেজমেন্টের গঠন ও দায়িত্ব:
- বোর্ড অব ট্রাস্টিজ: একটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠন করতে হবে যা ওয়াকফ ফান্ড পরিচালনা করবে। এই বোর্ডে দক্ষ, বিশ্বস্ত এবং শরিয়াহ জ্ঞানসম্পন্ন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
- বোর্ডের দায়িত্ব: বোর্ডের দায়িত্ব হবে ওয়াকফ সম্পদের সুরক্ষা, বিনিয়োগের তদারকি, আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সম্পন্ন করা।
- প্রত্যেক সদস্য ফান্ডের পলিসি অনুযায়ী প্রতি মাসে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ ফান্ডে জমা করবেন যা ওয়াকফ ফান্ডের আয় হিসেবে গণ্য হবে।
-
ছবি, ভিডিও ও টেক্সট কন্টেন্ট মার্কেটিং শারিয়াহ গাইডলাইন
৳ 1500 Add to cartছবি, ভিডিও ও টেক্সট কন্টেন্ট মার্কেটিং বিষয়ক শারিয়াহ গাইডলাইন
১. ছবি সংক্রান্ত শারিয়াহ বিধান
১. পরিভাষা পরিচিতি
১.১ ‘সাধারণ ছবি’- বলতে বোঝানো হয়:- স্পর্শযোগ্য কোন মাধ্যমে কোন বস্তু, প্রাণী বা মানুষ সদৃশ স্থায়ী প্রতিকৃতি সৃষ্টি করা যা মূল মাধ্যম থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় পৃথক হয় না। যেমনঃ কাগজ, টাইলস, মগ, দেয়াল ইত্যাদিতে আঁকা-প্রিন্ট করা।
১.২ ‘ডিজিটাল ছবি’ হচ্ছে:- এক ধরনের ইলেকট্রিক প্রতিফলিত রশ্মির সমষ্টি। ইলেকট্রিক সিগন্যাল ও ডিসপ্লে এর মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সাধারণত একটি বাইনারি সিস্টেমে তা সংরক্ষণ করা হয়। এটা কয়েক ধরনের হয়। যেমন, রাস্টার ইমেজ বা বিটম্যাপ ইমেজ।
২. শারিয়াহ পর্যালোচনা
২.১ প্রাণীর সাধারণ ছবি, মূর্তি, ভাস্কর্য ও ত্রিমাত্রিক ছবি অংকন করার বৈধতা ইসলামে নেই। বহুসংখ্যক হাদীসের আলোকে এসব ছবি হারাম, নাজায়েয। হাদিসে ছবি অঙ্কনকারীর জন্য ভয়াবহ আযাবের কথা এসেছে। রাসূল সা. বলেছেন:-
“إن أشد الناس عذابا يوم القيامة المصورون”
অর্থাৎ, কেয়ামতের দিন সবচেয়ে ভয়াবহ আযাবের সম্মুখীন হবে ছবি অঙ্কনকারীরা। (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ২১০৯)
২.২ বিশেষ প্রয়োজনে যেমন আইডি কার্ড, পাসপোর্ট ইত্যাদির প্রয়োজনে ছবি তোলা ও সংরক্ষণ করা নাজায়েয নয়।
২.৩ নিষ্প্রাণ ও জড়বস্তুর সাধারণ ছবি, ভাস্কর্য সন্দেহাতীতভাবে জায়েজ। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য শোপিস হিসেবে তা দেয়াল, আলমারি ইত্যাদিতে সংরক্ষণ করাও জায়েয।
২.৪ প্রাণীর ডিজিটাল ছবি হার্ডডিস্ক বা মেমরিতে থাকা পর্যন্ত তথা প্রিন্ট করার আগ পর্যন্ত এইসব ছবির ব্যাপারে ওলামাদের মধ্যে দুইটি মতামত রয়েছে।
পূঁজিবাজার থেকে শেয়ার ক্রয়ের শরীয়াহ নীতিমালা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পূঁজিবাজার থেকে শেয়ার ক্রয়ের শরীয়াহ নীতিমালা
(বিস্তারিত)
———————–
মূল মেথডোলজি পেশ করার পূর্বে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কথা আরজ করছি-
১। পূঁজিবাজার থেকে শেয়ার ক্রয় বিষয়ে এখানে যে শরীয়াহ নীতিমালা আলোচনা করা হয়েছে, এগুলো সমসাময়িক নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞ ফকীহগণের ইজতিহাদ নির্ভর। এটি জানা কথা যে, আধুনিক ইস্যূতে ইজতিহাদের সুযোগ আছে। আবার ইজতিহাদ করতে যেয়ে মতভিন্নতারও সুযোগ আছে।
২। আলোচিত বিষয়ে ইজতিহাদের আলোকে বিজ্ঞ ফকীহগণ যেসব মতামত পেশ করেছেন, এগুলো ইসলামের মূল সৌন্দর্য নয়। বরং পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে, সাময়িকভাবে এসব মতামত প্রদান করা হয়েছে। এগুলোই ইসলামের মূল বিধান-বিষয়টি মোটেও এমন নয়।
৩। এক্ষেত্রে যেসব ছাড়ের কথা বলা হয়েছে, এগুলোর অর্থ এ নয়, আমাকে এ ছাড় গ্রহণ করতেই হবে। বরং পারতপক্ষে এসব ছাড় গ্রহণ না করাই উত্তম-এ ব্যাপারে কারও কোনও দ্বিমত নেই।
৪। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাপী যেসব শরীয়াহ মতামত রয়েছে, সেগুলোর আলোকে, সমন্বয় করে আমাদের দেশের জন্য অধিক উপযোগী ও শরীয়াহর অধিক কাছাকাছি যায়-এ ধরনের মেথডোলজি প্রস্তাব করেছি। যেহেতু বিষয়টি ইজতিহাদ নির্ভর, তাই আমাদের প্রস্তাবনার সাথে বিজ্ঞ কোনও ফকীহ-দ্বিমত করার সুযোগ আছে। আমরা তা শ্রদ্ধার সাথে দেখবো।
৫। এখানে যা বলা হয়েছে, তাই চূড়ান্ত নয়। সময় ও পরিস্থিতির আলোকে সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে।
উপরোক্ত জরুরী কথাগুলো সামনে রেখে-নিম্নে শারীয়াহ মেথডোলজি পেশ করা হল-
মেথডোলজি শিরোনাম:
- শেয়ারের প্রকৃতি নির্ণয়
- খাত ভিত্তিক শরীয়াহ স্ক্রিনিং
- অর্থায়ন ভিত্তিক শরীয়াহ স্ক্রিনিং
- বিনিয়োগ ভিত্তিক শরীয়াহ স্ক্রিনিং
ক. সুদ ভিত্তিক ঋণ গ্রহণ।
খ. সুদ ভিত্তিক ডিপোজিট প্রদান
- তরল এ্যাসেট প্রসঙ্গ
- ফটকাবাজি প্রসঙ্গে
- শেষ কথা
Reviews
There are no reviews yet.