কওমি মাদ্রাসায় অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ে পড়াশোনা

কওমি মাদ্রাসায় অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ে পড়াশোনা

কিছু কথা কিছু প্রস্তাবনা

 মুফতি আব্দুল্লাহ মাসুম

 সিএসএএ, এ্যাওফি, বাহরাইন

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, আইএফএ কনসালটেন্সি লি.

 

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বীন। এতে মানব জীবনের ইহকাল ও পরকালের প্রতিটি বিষয়ে রয়েছে পূর্ণ নির্দেশনা। এসব নির্দেশনা জানা ও বোঝার মূল উৎস কোরআন, তাফসির, হাদিস ও ফিকহবিষয়ক গ্রন্থাবলি। এসবের মূল গ্রন্থ আরবি ভাষায় রচিত। এসব বিষয়ে মূল থেকে গভীর পড়াশোনা আমাদের দেশে যে ধরনের প্রতিষ্ঠানে হয়ে থাকে, তন্মধ্যে একটি কওমি মাদ্রাসা নামে পরিচিত। কওমি মাদ্রাসার একটি স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য হলো, ইসলামের মৌলিক জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি সমাজের মানুষকে ইসলাম ও নৈতিকতার শিক্ষায় গড়ে তোলার শিক্ষাও তাতে প্রদান করা হয়। বরং এর শিক্ষার্থীদের কাছে এটি হয়ে থাকে জীবনের একটি পরম লক্ষ্য। সমাজ নিয়ে কাজ করতে হলে প্রয়োজন, সমাজে প্রচলিত বিষয়ে জানাশোনা ও পড়াশোনা। ঠিক সে কারণে শুরু থেকেই ইসলামি জ্ঞানকে মূল রেখে কওমি মাদ্রাসার সিলেবাসে পরিবর্তন হয়েছে যথেষ্ট। যুগ সচেতন কওমি মাদ্রাসায় প্রাচীনকাল থেকেই সংযুক্ত রয়েছে অর্থনীতিবিষয়ক পড়াশোনা। যুগ ও সমাজের চাহিদাকে মূল্যায়ন করে অধুনা সংযুক্ত হয়েছে এ যুগের ভাষায় অর্থনীতি ও ব্যাংকিং পাঠ। নিম্নে এ বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলোÑ

অর্থনীতি

ইমাম আবুল হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ কুদুরি (রহ.) কৃত ‘মুখতাসার’ গ্রন্থের ‘ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়’ পড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতি নিয়ে বেসিক পড়াশোনা মূলত নি¤œ মাধ্যমিক ক্লাস (কাফিয়া জামাত) থেকেই শুরু হয়। এতে ইসলামি অর্থনীতির আলোকে ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়। এতে মৌলিকভাবে যে শিরোনামগুলো রয়েছে, সংক্ষেপে তা হলোÑ ক্রয়-বিক্রয়ের ইজাব-কবুল পরিচিতি, মূলনীতি, ভোক্তাধিকার নীতি, অপশনগুলো, রিবা, মোরাবাহা, তাওলিয়া, সালাম, ইস্তেসনা, লিজিং, মোদারাবা, যৌথব্যবসা ইত্যাদি। তবে এগুলো একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ের। অনেকটা পরিচিতিমূলক আলোচনা।

এসব বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা হয়ে থাকে স্নাতক ক্লাসে (ফজিলত)। ইমাম বোরহানুদ্দিন আল মারগিনানি (রহ.) কৃত ‘হেদায়া’ গ্রন্থের ‘ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়’ পড়ানোর মাধ্যমে এ বিষয়ে গভীর পাঠদান করানো হয়।

অর্থনীতির আধুনিক পাঠের জন্য স্নাতক ক্লাসে রয়েছে শাইখুল ইসলাম মুফতি তাকি উসমানির ‘ইসলাম ও আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায় নীতি’ ও আল্লামা আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া (রহ.) রচিত ইসলামি অর্থনীতি বিষয়ে স্বতন্ত্র গ্রন্থ ‘ইসলামি অর্থনীতির আধুনিক রূপায়ন’ গ্রন্থ দুটি। এ ছাড়া স্নাতক ও মাস্টার্সের (দাওরায়ে হাদিস) ক্লাসে হাদিসের প্রায় প্রতিটি গ্রন্থেই ‘ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়’-এর অধীনেও এসব বিষয়ে আলোচনা হয়ে থাকে।

কওমি মাদ্রাসার উচ্চতর ডিগ্রি ‘দাওরায়ে হাদিস’ (মাস্টার্স ডিগ্রি) সম্পন্ন করার পর অনেক শিক্ষার্থীই ‘ইসলামিক আইন’ (ফিকহ ও ফতোয়া) নিয়ে বিশেষ গবেষণাধর্মী পড়াশোনায় আত্মনিয়োগ করেন। এটি স্পেশালাইজেশন প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত। সবাই এর উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয় না। গুণগতমানসম্পন্ন কওমি মাদ্রাসায় উক্ত ফিকহ ও ফতোয়া বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য উচ্চতর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হয়।

সাধারণত তা এক-দুই বছর মেয়াদি হয়ে থাকে। তবে দুই বছর মেয়াদি সিলেবাস অধিক গুণগত মানসম্পন্ন হয়ে থাকে। উক্ত সিলেবাসের চতুর্থ সেমিস্টারে স্বতন্ত্রভাবে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা হয়ে থাকে। এতে মৌলিক দুটিভাগে অর্থনীতি পড়ানো হয় এক. জেনারেল অর্থনীতি, দুই. ইসলামি অর্থনীতি।

অর্থনীতি নিয়ে যা পড়ানো হয়, সংক্ষেপে তা হলোÑ অর্থনীতির পরিচিতি, জেনারেল অর্থনীতি, ক্রমবিকাশ, অর্থনীতির পরিধি, অর্থনীতির মৌলিক সমস্যা, ব্যষ্টিক অর্থনীতি, সামষ্টিক অর্থনীতি, ইসলামি অর্থনীতির পরিচিতি, ক্রমবিকাশ, বৈশিষ্ট্য, মূলনীতি, ইসলামি অর্থনীতির আলোকে সম্পদ ও উপার্জন, ব্যক্তি মালিকানা দর্শন, পুঁজিবাদ বনাম ইসলামি অর্থনীতি, ইসলামি অর্থনীতির আলোকে একটি কল্যাণধর্মী রাষ্ট্রের রূপরেখা ইত্যাদি। এসব বিষয় পড়ানোর জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো বইকে অনুসরণ করা হয় না; বরং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একাধিক গ্রন্থ মন্থন করে শিক্ষক লেকচার প্রদান করেন। সঙ্গে কিছু গ্রন্থ অধ্যয়ন করানো হয়। যেমনÑ ইমাম মুহাম্মদ (রহ.) কৃত ‘কিতাবুল কাসব’, মাওলানা আবদুর রহিম (রহ.) কৃত ‘ইসলামের অর্থনীতি’, মাওলানা হিফজুর রহমান সিওহারোভি (রহ.) কৃত ‘ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’, ড. আশরাফ মুহাম্মদ দাওয়াবাহ রচিত আরবি ভাষায় ‘আল ইকতিসাদুল ইসলামি বা ইসলামি অর্থনীতি’ ইত্যাদি গ্রন্থ। জেনারেল অর্থনীতির আলোচনার জন্য অনার্স লেভেলের পাঠ্যবই থেকেও সহযোগিতা নেওয়া হয়। সেমিস্টার শেষে শিক্ষার্থীদের থেকে অর্থনীতি বিষয়ে ছোট ছোট অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া অর্থনীতির অধীনে পাঠ্য তালিকায় আরও রয়েছেÑ অংশীদারি ব্যবসার শরঈ নিয়মকানুন, কোম্পানি, কোম্পানির শরঈ অবস্থান, ইসলামে ‘লিমিডেট কোম্পানির’ ধারণা, কোম্পানির আইনগত সত্তার ধারণা, শেয়ার বাজার, মোদারাবা, ইসলামের ভোক্তাধিকার নীতি, জেনারেল বিমা, ইতিহাস, পরিচিতি, জেনারেল বিমা সংক্রান্ত ফতোয়ার ইতিহাস, জেনারেল বিমা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক ফিকহ ফোরামের সিদ্ধান্তাবলি, তাকাফুল, তাকাফুলের আদর্শ মডেল, বাংলাদেশে বিরাজমান তাকাফুলের শরঈ পর্যালোচনা ইত্যাদি।

এসব বিষয় পড়ানোর জন্যও সুনির্দিষ্ট কোনো বইকে অনুসরণ করা হয় না। বরং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একাধিক গ্রন্থ মন্থন করে শিক্ষক লেকচার প্রদান করেন। জেনারেল বিষয়ের জন্য সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের বই ‘ব্যবসায় পরিচিতি’, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বই ‘ব্যাংকিং ও বিমা’ প্রভৃতি গ্রন্থ থেকে সহায়তা নেওয়া হয়।

শরঈ বিষয়গুলোর জন্য ফিকহের গ্রন্থ দেখার পাশাপাশি অঅঙওঋও-এর শরিয়া স্ট্যান্ডার্ড, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইসলামি ফিকহ একাডেমির রেজুলেশনগুলো, তুরস্কে উসমানি সালাতানাতে রচিত ইসলামের প্রথম বিধিবদ্ধ আইন সংকলন ‘মাজাল্লাতুল আহকামিল আদলিয়্যা’ ইত্যাদির সাহায্য নেওয়া হয়। এ ছাড়া আরবি ভাষায় ডক্টরদের রচিত বিভিন্ন গবেষণা থেকেও সহায়তা নেওয়া হয়।

সেমিস্টার শেষে ফিল্ড ওয়ার্ক করানো হয়। বাস্তব ব্যবসায় জড়িত, এমন অভিজ্ঞদের কাছ থেকে মাঝেমধ্যে লেকচার শোনা হয়। সঙ্গে অ্যাসাইনমেন্ট তো আছেই। তবে একটি কথা না বললেই নয়, ফিকহ ও ফতোয়া বিভাগে অর্থনীতি ও ফিন্যান্স বিষয়ে যা পড়ানো হয়, এর বেসিক বিষয়গুলো কওমি মাদ্রাসার মাধ্যমিক ও স্নাতক ক্লাসগুলোতেও সিলেবাসভুক্ত হওয়া দরকার।

ব্যাংকিং

ব্যাংকিং বিষয়ে স্বতন্ত্রভাবে পড়াশোনা হয় কওমি মাদ্রাসার শুধু ফিকহ ও ফতোয়া বিভাগে। দু’বছর মেয়াদি উক্ত বিভাগে পঞ্চম সেমিস্টারে ব্যাংকিং বিষয়ে দুটি ভাগে পড়ানো হয়Ñ এক. জেনারেল ব্যাংকিং। এর মৌলিক শিরোনামগুলো হলোÑ ব্যাংকের পরিচিতি, ক্রমবিকাশ, টেম্পল ব্যাংকিং, ব্যাংকিং ধারায় সুদ সম্পৃক্ত হওয়ার ইতিহাস, ব্যাংকের নীতিমালা, কার্যক্রম, অ্যাকাউন্ট খোলা, ই-ব্যাংকিং, ব্যাংকিং কার্ড ইত্যাদি।

দুই. ইসলামি ব্যাংকিং। এর মৌলিক শিরোনামগুলো হলো ইসলামি ব্যাংকিং পরিচিতি, ক্রমবিকাশ, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের আদর্শিক রূপরেখা, বর্তমান কার্যক্রম, কনভেনশনাল ব্যাংকিং বনাম ইসলামিক ব্যাংকিং, ইসলামি ব্যাংকিংবিষয়ক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গাইডলাইন, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের মৌলিক বিনিয়োগ নীতিমালা, মোশারাকা, মোদারাবা, লিজিং, সালাম, ইস্তেসনা, মোরাবাহা, ইসলামি ক্রেডিট কার্ড, ইসলামিক ব্যাংকিং প্রোডাক্ট ডেভলাপ, সুকুক, আমাদের দেশের ইসলামি ব্যাংকিংয়ের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও উত্তরণ ভাবনা, আদর্শ ইসলামি ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠায় করণীয় ইত্যাদি।

এসব বিষয় পড়ানোর জন্যও সুনির্দিষ্ট কোনো বইকে অনুসরণ করা হয় না। বরং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একাধিক গ্রন্থ মন্থন করে শিক্ষক লেকচার প্রদান করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, মুফতি তাকি উসমানির রচনা, ড. উমর চাপড়ার রচনা ইত্যাদি। পাশাপাশি অঅঙওঋও-এর শরিয়া স্ট্যান্ডার্ড ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক ফিকহ একাডেমির রেজুলেশনগুলোরও সাহায্য নেওয়া হয়।

এ ছাড়া আরবি ভাষায় ডক্টরদের বিভিন্ন গবেষণা থেকেও সহায়তা নেওয়া হয়। সেমিস্টার শেষে পরিচিত কিছু ইসলামি ব্যাংকে ফিল্ড ওয়ার্ক করা হয়, অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করা হয়। ইসলামিক ব্যাংকের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, এমন দু’একজনকে অতিথি লেকচার হিসেবেও দাওয়াত দেওয়া হয়। ইসলামিক ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র নিয়ে সরাসরি গবেষণাও করা হয়। সবমিলিয়ে চেষ্টা করা হয়, শিক্ষার্থীদের সামনে সঠিক ও বাস্তব বিষয় তুলে ধরতে।

প্রকাশ থাকে যে, উক্ত সিলেবাস ও পড়ানোর কলাকৌশল দেশের সব কওমি মাদ্রাসায় বাস্তবায়ন হয়ে থাকে, এমনটি দাবি করছি না। তবে এসব বিষয়ে গুণগত মানসম্পন্ন সিলেবাস অনেক কওমি মাদ্রাসায়ই অনুসৃত হয়ে থাকে। যেমন রাজধানীর জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ ও মারকাযুদ্দাওয়া আল ইসলামিয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

কর্মক্ষেত্র

ফিকহ ও ফতোয়া বিভাগের উক্ত সিলেবাস সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকেন। ফিকহ ও ফতোয়া বিভাগে নিয়োগ হন। তবে এসব তরুণ মেধাবী আলেম ও মুফতির কাছ থেকে আরও বিভিন্ন খেদমত গ্রহণ করা যেতে পারে। আমাদের দেশে লেনদেন ও মোআমালা বিষয়ে শরিয়া গবেষক ও পরামর্শকের আজ বড় অভাব। বিভিন্ন কোম্পানি ও ইসলামি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যারা বাস্তব অর্থেই চান, তাদের প্রতিষ্ঠান সত্যিকারার্থে শরিয়াসম্মতভাবে পরিচালিত হোক, তারা এসব সম্ভাবনাময় তরুণ আলেম ও মুফতির কাছ থেকে নিম্নোক্ত খেদমত গ্রহণ করতে পারেন

১. ব্যাংকিং ও মোআমালার শরঈ গবেষণার জন্য নিয়োগদান, ২. ইসলামি ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রিকে শরিয়া দিক থেকে আরও অগ্রসর করতে তাদেরকে পর্যাপ্ত ট্রেইনিং প্রদানের পর এ সেক্টরে শরিয়া পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগদান, ৩. শরিয়া বোর্ডে নিয়োগদান, ৪. ইসলামিক ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং কনসালটেন্সি ফার্ম খুলে তাতে নিয়োগদান, ৫. তাদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে ইসলামিক ব্যাংকিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান।

শেষ কথা

কওমি মাদ্রাসা দেশ ও জাতির কল্যাণে যুগ যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছে। যোগ্য মেধাবী আলেম তৈরি করে আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে অসামান্য অবদান রাখছে। যুগের প্রয়োজনে তারা অন্যান্য বিষয়ের ন্যায় অর্থনীতি, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করেছে বহু আগেই। প্রতি বছর এসব প্রতিষ্ঠান থেকে তরুণ মেধাবী আলেম ও মুফতি বের হচ্ছেন। তাদের অনেকেই অর্থনীতি, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে যথেষ্ঠ জ্ঞান রাখেন। এসব মেধাবী আলেমকে আরও পরিচর্যা করা হলে তাদের কাছ থেকে ব্যাংকিং ও ফিন্যান্সবিষয়ক বহু খেদমত গ্রহণ করা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *